প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই: এমপি মিলন

স্টাফ রিপোর্টার

রাজশাহী-৩ আসনের এমপি ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ্যাড. মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বলেছেন, গোটা বিশ্বে  অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি হচ্ছে। মানুষ অক্সিজেন নেয় আর কার্বনডাই ছেড়ে দেয়। সেই কার্বনডাই অক্সাইড গাছ গ্রহণ করে পরিশোধন করে আবার ছেড়ে দেয়। আর সেখান থেকে মানুষ অক্সিজেন গ্রহণ করেন। গাছের সাথে মানুষের নিবির সম্পর্ক রয়েছে। কিছুদিন আগে সারা বিশ্বে করোনা দেখা দিয়েছিলো। সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অক্সিজেন নিতে হয়েছে কৃত্তিমভাবে। গাছ মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য খুবই উপকারী। বলা যায় গাছ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে। তাই প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খড়খড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও খড়খড়ি উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত নির্বাচিত বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমুহের উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভবন উদ্বোধন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ এবং খড়খড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ, বিতরণ এবং মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচী দিয়েছেন তা পূরণের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। সেই টার্গেট পূর্ণ হলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য আবার ফিরে আসবে। প্রতিটি স্থান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ভাল মানুষ তৈরির কারাখানা হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভাল করে লেখাপড়া করলে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ভাল মানুষ বের হবে। এছাড়াও আগামী বছরের জানুয়ারী মাস থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের চতুর্থ শ্রেণী থেকে চাহিদা এবং জ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা। আর এর মুল কারগরী হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুলাই যোদ্ধাদের শ্রদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণ করে তিনি সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের  সুস্থতা কামনা করে বলেন, যে উদ্দেশ্যে নিয়ে এই আন্দোলন তা হচ্ছে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মানের জন্য। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর সুযোগ্য পুত্র। 

এমপি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মাত্র সাড়ে তিন বছর বাংলাদেশের সেবা করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশকে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সে সময়ে তিনি ওআইসির সহ-সভাপতি ও সভাপতি নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি সার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানান তিনি। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছিলেন।

দুটি বিদ্যালয়ের  কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে খড়খড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও পারিলা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোখলেসুর রহমান ও খড়খড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন, হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান, সদস্য সচিব বাদশা মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান, পারিনা ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক রেজাউল করিম মাস্টার, খড়খড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  প্রধান শিক্ষক  রাবেয়া খাতুন,  খড়খড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী, পবা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মুস্তাক আহমেদ ছোট ও পারিলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাদিকুল ইসলাম স্বপনসহ ও বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ভালো লাগলে, প্লিজ শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো কিছু পোস্ট