বাগমারায় প্রতারণ মামলায় দুই এনজিও পরিচালক গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা
রাজশাহী জেলার বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার গোডাউন মোড় এলাকায় “স্বচ্ছতা রাজশাহী লিঃ” নামে পরিচালিত একটি ভুয়া এনজিও প্রতিষ্ঠানের দুইজন পরিচালককে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তদের গতকাল আদারেেতর মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, অর্থ দ্বিগুন বৃদ্ধির প্রলোভন দিয়ে অর্থ আদায়ের পরবর্তীতে গ্রাহকদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে সংশ্লিষ্টরা আত্মগোপনে চলে যায়। এতে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। এ সব ঘটনার অন্যতম অভিযোগকারী কেএম আব্দুর রহিম ও অহিদুল ইসলাম পৃথকভাবে বাগমারা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় “স্বচ্ছতা রাজশাহী লিমিটেড”-এর পরিচালক উপজেলার- ঝাড়গ্রাম গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে ময়নুল ইসলাম (৩৬)সহ মোট ৪ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় অফিসার ইনচার্জ, বাগমারা থানা-এর সার্বিক দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বে বাগমারা থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে বুধবার রাতে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার ১নং আসামি ময়নুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে যথাযথ পুলিশি প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মামলার এজাহার ও প্রাথমিক তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কেএম আব্দুর রহিম উক্ত প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ২৮,০০,০০০/- (আটাশ লক্ষ) টাকা এবং তার ভাইরা ওয়াছেক আলী বিল্লাহ (৫০) সর্বমোট ৬৫,৫০,০০০/- (পঁয়ষট্টি লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা জমা প্রদান করেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বাগমারা থানা এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। অপর দিকে বাগমারা থানা পুলিশের আভিযানিক দল ঢাকা মহানগরীর কাফরুল থানা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে প্রতারণার মামলায় বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত ০২টি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি শিমুল বিল্লাহকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাকেও বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অপরাধী যে হোক ,কাউরেও ছাড় নেই। বাগমারা থানার পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
