বড়াইগ্রামে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪
বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি
নাটোরের বড়াইগ্রামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে মারধর ও জিম্মি করে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন এমপির সাবেক জোনাইল ইউনিয়ন প্রতিনিধি ও ফ্রান্সপ্রবাসী রুবেল হোসেন ওরফে ‘ফ্রান্স রুবেল’। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন—মো. হারুন অর রশিদ, মো. সাগর আহম্মেদ ওরফে সোহান কবিরাজ এবং মো. সোহাগ কবিরাজ। এ ঘটনায় পলাতক রয়েছে আরো কয়েকজন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী আনিছুর রহমান একজন মাছ ব্যবসায়ী। গত ৩০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাছ বিক্রির কথা বলে জোনাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাব্বাব হক সাবু তাকে বড়াইগ্রাম থানার চৌমুহন গ্রামের তার খামারবাড়ীতে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করা অন্য আসামিদের সহায়তায় তাকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, আসামিরা মাছ ব্যবসায়ী আনিছুর রহমানকে মারধর করে জিম্মি করেন এবং প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা ও তাৎক্ষণিকভাবে ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এ ঘটনায় আনিছুর রহমান বড়াইগ্রাম থানায় এজাহার দাখিল করলে পুলিশ নিয়মিত মামলা রুজু করে।
মামলা তদন্তের দায়িত্ব পান বড়াইগ্রাম থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. জহুরুল ইসলাম। পরে তিনি চৌমুহনসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। বাকিরা এখনো পলাতক রয়েছে।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। বড়াইগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার অন্যান্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
