উত্তরাঞ্চলের থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সুবিধার্তে চালু হল ক্লিনিক

উত্তরাঞ্চলের থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সুবির্ধার্তে চালু হল থ্যালাসেমিয়া ক্লিনিক। শনিবার (৯ মে) বগুড়ার ঠেঙ্গামারা টিএমএসএস ক্যানসার সেন্টারের ১১তম তলায় টিএমএসএস থ্যালাসেমিয়া ক্লিনিকের উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা, র‌্যালি ও দিনব্যাপী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন টিএমএসএস পরিচালনা পর্ষদের উপদেষ্টা আয়শা বেগম, টিএমএসএস’র নির্বাহী কর্মকর্তা গৌতম কুমার, টিএমএসএস’র উপ-নির্বাহী পরিচালক রোটা. ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন, বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ শামসুল আলম পাশা, সরকারি মজিবর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুস ছাবুর খন্দকার, করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অসিত কুমার সরকার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কলেজের আমন্ত্রিত অধ্যক্ষবৃন্দ, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সমাজসেবক, শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবীসহ আমন্ত্রিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সভায় থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে বিষদ আলোচনা করেন টিএমএসএস হেমাটোলজি এ্যন্ড বিএমটি সেন্টারের সহকারী অধ্যাপক ও প্রধান ডা. খাজা আমিররুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তজনিত রোগ। যা সম্পর্কে সচেতনতার অভাবের কারণে দেশে প্রতিবছর অসংখ্য নারী-পুরুষ ও শিশু এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সময়মতো পরীক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। বিশেষ করে বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

টিএমএসএস এর এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবকল্যাণমূলক বলে উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানের উপ-নির্বাহী পরিচালক রোটা. ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য বিশেষায়িত এ ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও সময়োপযোগী পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা সংযোজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এ ক্লিনিক থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও বলেন, টিএমএসএস থ্যালাসেমিয়া ক্লিনিকে রোগীদের জন্য রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং, চিকিৎসকের পরামর্শ, নিয়মিত ফলোআপ, কাউন্সেলিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। এছাড়াও রোগীদের মানসিক সহায়তা ও পরিবারকে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সূত্র: ইনকিলাব

ভালো লাগলে, প্লিজ শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো কিছু পোস্ট