নওগাঁয় বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের অবসান; সাড়ে ৪ ঘন্টা পর স্বাভাবিক
নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের অবসান, অবশেষে জেলার অভ্যন্তরিন সকল রুটে প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা বাস চলাচল স্বাভাবিক। রোববার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল সাড়ে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ ছিল। বাস শ্রমিকদের দাবি, প্রশাসন থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী উঠানোয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তা অমান্য করে সিএনজি চালকরা যাত্রী নেয়। তারা যাত্রীদের জিম্মি করে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রী উঠালে আমাদের শ্রমিকরা বাঁধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিএনজি চালকরা আমাদের গালিগালাজ করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটিতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। দুপুর ১২টা জেলার অভ্যন্তরীন সকল রুটসহ, পাশ্ববর্তী জয়পুরহাট, বগুড়া ও রাজশাহী জেলায় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। বাস চলাচল বন্ধ হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তীতে পড়তে হয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাস চলাচল শুরু হয়।
মাঝেমধ্যে সিএনজি এবং বাস মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়ে থাকে। এটি তাদের দীর্ঘ দিনের সমস্যা। আর এসব সমস্যার কারণে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষদের।
এদিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের অভিযোগ- বাস চালকরা আমাদের জিম্মি করে রেখেছে। সকাল ৯ টা থেকে সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রিজার্ভ কিংবা তিনজন করে যাত্রী এবং মালামাল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। অনুমতি থাকার পর যাত্রী নিয়ে যাওয়া হলে বাস মালিকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পয়েন্ট বাঁধা প্রদান করে এবং লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সড়কে আটকে রাখা হয়। যাত্রী উঠানোর সময় ঝামেলা তৈরি হলে এর জের ধরে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। নওগাঁ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস.এম মতিউজ্জামান মতি বলেন, সকালে সিএনজিতে যাত্রী উঠানো নিয়ে মোটর শ্রমিকদের এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের মধ্যে একটি ঝামেলা হয়েছিল। এরপর বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে মালিক এবং শ্রমিক নেতারা বসে সেটি সমাধান করা হয়েছে। নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন- বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের নিয়ে প্রাথমিক ভাবে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। বাস ও সিএনজি চালচল স্বাভাবিক।
