নগরীর বিষ্ণুপুর ফেরিঘাটের টোল বৃদ্ধির দাবি
স্টাফ রিপোর্টার
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার ব্যয় কয়েক গুণ বাড়লেও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) নিয়ন্ত্রণাধীন বিষ্ণুপুর ফেরিঘাটে এখনো কার্যকর রয়েছে প্রায় ১০ বছর আগের টোল ও মাশুলের তালিকা। এতে বর্তমান পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে আদায় করা টোলের বড় ধরনের অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। এতে ইজারাদার মোসাদ্দাত হোসেন (তুহিন) রাসিকের কাছে টোল বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানিয়েন।
গতকাল বুধবার রাজশাহী নগরীর রাজারহাত এলাকায় নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি করে তিনি বলেন, বাংলা ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ১৮ লাখ ৫ হাজার ৫৫৫ টাকা সর্বোচ্চ দর দিয়ে ঘাটটি ইজারা নিয়েছেন তিনি। কিন্তু ইজারা নেওয়ার পর জানতে পারেন, যাত্রী ও মালামাল পারাপারের টোল নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলা ১৪২৩ বঙ্গাব্দের তালিকা অনুযায়ী। এছাড়া দরপত্রের সঙ্গে যাত্রী পারাপারের মূল্য তালিকা দেওয়া হয়নি। এর ফলে তিনি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। ইজারাদারের দাবি, গত এক দশকে জ্বালানি, শ্রমিকের মজুরি ও ঘাট পরিচালনার অন্যান্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অথচ টোলের হার অপরিবর্তিত থাকায় ইজারামূল্য, কর-ভ্যাটসহ অন্যান্য সরকারি পাওনা পরিশোধ করে ঘাট পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাসিক প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি পারাপারের দ্রব্যাদির উপর নির্ভর করে পণ্যের টোল নির্ধরণের দাবি জানিয়েছেন। মোসাদ্দাত হোসেনের অভিযোগ, একদিকে ইজারামূল্য ও সরকারি রাজস্ব পরিশোধের চাপ রয়েছে, অন্যদিকে ঘাট পরিচালনার প্রধান আয়ের উৎস টোলের হার প্রায় এক দশক ধরে অপরিবর্তিত। ফলে বর্তমান হারে টোল আদায় করে ঘাট পরিচালনা করলে তাকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
বিষয়ে রাসিকের সচিব সোহেল রানা বলেন, টেন্ডারের সময় টোলের হার সম্পর্কে জেনে-শুনেই ইজারাদার ঘাটের ইজারা নিয়েছেন। তবে টোল আদায়ের তালিকাটি প্রায় ১০ বছর আগের বলে তিনি জানিয়েছেন। এছাড়াও বিষয়টি বিবেচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
