৩১ আগস্টের মধ্যে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ১:৪ বেতন অনুপাত, ১২টি গ্রেড এবং সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতনে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা বলেন, পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে হবে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে-২০১৫ সালে পে স্কেলে বাতিল হওয়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ব্লক পোস্টে কর্মরতদের পদোন্নতি অথবা প্রতি পাঁচ বছর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান। এ ছাড়া টেকনিক্যাল পদে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা নিশ্চিত করারও দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি আরো বলেছে, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য গ্র্যাচুইটির পাশাপাশি পেনশন চালু করতে হবে এবং বিদ্যমান গ্র্যাচুইটি বা আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত কর্মচারীদের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বিভিন্ন ভাতা পুনর্র্নিধারণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধি এবং সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার দাবি তোলা হয়েছে। এছাড়া সচিবালয়ের মতো সব সরকারি, আধা-সরকারি, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে বেতন ও পদবৈষম্য নিরসনের আহ্বান জানানো হয়েছে। সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন হাসান এবং মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সূত্র: কালের কন্ঠ
