আরইউজের সভায় বক্তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার

রাজশাহীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, গণমাধ্যম সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্পণ। একটি স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমই রাষ্ট্রের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম। তাই গণতন্ত্র, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর একটি রেস্টুরেণ্টের কনফারেন্স রুমে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহা: আব্দুল আউয়াল। আরইউজের সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্ত’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন গবেষক ও লেখক মাহবুব সিদ্দিকী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, আরইউজের সাবেক সভাপতি সরদার আবদুর রহমান ও আরইউজের সাবেক সভাপতি ডা. নাজিব ওয়াদুদ এবং রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব অপু, আরইউজের সহসভাপতি মঈন উদ্দিন, আরইউজের যুগ্ম সম্পাদক ওমর ফারুক ও দৈনিক আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার এম শামীম প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক নতুন প্রভাতের সম্পাদক সোহেল মাহবুব, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ জুলফিকার, আরইউজের কোষাধ্যক্ষ হাবিল উদ্দিন হাবিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আশিকুর রহমান। সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল কার্যকর হওয়ার পর দেশের অধিকাংশ সংবাদপত্রের প্রকাশনা অনুমতি (ডিক্লারেশন) বাতিল করে মাত্র চারটি রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত পত্রিকা চালু রাখা হয়েছিল। এর ফলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয় এবং গণমাধ্যমের বহুমাত্রিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। তারা এ ঘটনাকে দেশের সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা আরো বলেন, পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন এবং মুক্ত মতপ্রকাশের পরিবেশ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ভালো লাগলে, প্লিজ শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো কিছু পোস্ট