পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার সাহস নেই’ লিখে ছাত্রীর আত্মহনন
গত ৩ মে অনুষ্ঠিত ভারতে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা (নিট-ইউজি) পরীক্ষায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেন। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষাটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২১ জুন পুনঃ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। দরিদ্র পরিবারের ১৮ বছর বয়সী আকাঙ্ক্ষা চতুর্বেদীও ওই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরিবারের আর্থিক সংকট সত্ত্বেও বাবার নেওয়া ঋণের টাকায় তার মেডিক্যাল পরীক্ষার প্রস্তুতির কমতি ছিল না। পরীক্ষার পরেও উত্তীর্ণ হওয়ার নিশ্চয়তা ছিল খুব মেধাবী এই তরুণীর। কিন্তু পরীক্ষা বাতিল হওয়ার খবরটি সহ্য করতে না পেরে অবশেষে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন আকাঙ্ক্ষা। মৃত্যুর ঠিক আগে পরিবারের উদ্দেশে এক চিরকুটে তিনি লেখেন, ‘পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার সাহস নেই, আমাকে ক্ষমা করে দিও।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, মৃত্যুর দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর তার কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি হাতে লেখা চিরকুটে এসব তথ্য জানা গেছে। চিঠিতে আকাঙ্ক্ষা তার বাবা-মায়ের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘মা-বাবা, তোমরা বিশ্বাস করেছিলে তোমাদের মেয়ে কঠোর পরিশ্রম করে ডাক্তার হবে। কিন্তু আবার নিট পরীক্ষা দেওয়ার আমার আর সাহস নেই। প্রথমবারেই আমি ভালো নম্বর পেতাম, কিন্তু এখন আর কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমি সব কিছু নষ্ট করে ফেলেছি, আমাকে ক্ষমা করে দিও।’ সূত্র: কালের কন্ঠ
