স্বামীকে ৬ টুকরা করে হাড়-মাংস আলাদা করার অভিযোগ, স্ত্রী আটক
শরীয়তপুর সদরে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে শহরের পালং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদ এলাকার জিয়া সরদারের সাথে ২য় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় পিরোজপুর জেলার আসমা আক্তার। বিয়ের পর আসমা আক্তারকে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকায় ভাড়া বাসায় রাখেন স্বামী জিয়া সরদার। সবশেষ গত বছর জিয়া সরদার দেশে ফিরলে দুজনে চন্দ্রপুর এলাকায় একটি ভাড়াবাসায় বসবাস করা শুরু করে। সম্প্রতি স্ত্রী আসমা আক্তারের সাথে জিয়া সরদারের পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। সে জের ধরে মঙ্গলবার রাতে কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে স্বামী জিয়া সরদারকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন স্ত্রী আসমা। এরপর মরদেহটি লুকিয়ে রাখতে ছুরির সাহায্য দেহটি কয়েক টুকরো করে হাড় মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে শুক্রবার সন্ধ্যায় অটোরিকশা ভাড়া করে ড্রাম থেকে মরদেহের একটি অংশ বস্তায় ভরে ফেলে আসেন আটং এলাকার বৃক্ষতলা এলাকায়। পরবর্তীতে দেহের মাংসগুলো শহরের পালং এলাকায় পুরাতন ভাড়া বাসার এক ভাড়াটিয়ার বাড়িতে ফ্রিজে রাখতে গেলে তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে একপর্যায়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে বিষয়টি পুলিশকে জানায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ওই নারীকে আটক শেষে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, সে জরুরি সেবা নাম্বার কল পেয়ে ওই নারীকে আটক করি। পরে ড্রাম খুলে বিষয়টি নিশ্চিত হলে তাকে জিজ্ঞেস করলে সব কথা স্বীকার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করি। এ ঘটনায় তদন্ত করা হচ্ছে। তার সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি-না। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন। সূত্র: ইনকিলাব
