নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাস ও ট্রাকের অজ্ঞাতনামা চালকদের বিরুদ্ধে মামলা
নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় বাস ও ট্রাকের অজ্ঞাতপরিচয় চালকদের আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ মামলা করা হয়। বনপাড়া হাইওয়ে থানার এএসআই আকবর হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। বড়াইগ্রাম থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে মামলাটি নিবন্ধিত হয়েছে। হাইওয়ে থানা মামলাটি তদন্ত করবে।’ এর আগে গতকাল ভোরে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরও ৩২ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ট্রাকের চালক আবুল কালাম আজাদ (৩২) ও বাসের সুপারভাইজার সোহেল রানা (৩৬) আছেন। দুর্ঘটনার সময় সোহেল রানা বাসটি চালাচ্ছিলেন। চিকিৎসা সামগ্রীর সংকট সমাধান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ৫ দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। বুধবার সকাল ৮টা থেকে তারা এ কর্মবিরতি শুরু করেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, হাসপাতালে ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট রয়েছে। এর পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের অবাধ প্রবেশ ও নানা কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিয়ত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হতে হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। এ ছাড়া, হাসপাতালের অবজারভেশন রুম ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু না থাকায় ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে সীমিত জনবল ও অপ্রতুল চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, এসব সমস্যা সমাধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তাঁরা কর্মবিরতির এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এদিকে, আজ সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত পরিস্থিতি ও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা. এস এম তপু। সূত্র: মানব জমিন
