এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী
এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সময়াবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। শুধু মানুষের কথা শোনা নয়, সেসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিও ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে কাজ করছেন। এসব উদ্যোগকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত কাঠামোর আওতায় আনা প্রয়োজন। এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমির খসরু বলেন, সরকারের বিভিন্ন সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এনজিওগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনজিওগুলোর টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করতে হবে। শীতলপাটিসহ স্থানীয় কারুশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী এসব পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক নকশা, মূল্য সংযোজন ও বিপণন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। এগুলো হলো—ভ্যালু ফর মানি, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা। তিনি বলেন, এসব শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না। সূত্র: ইনকিলাব
