চেক ডিজঅনারের মামলায় রিজেন্টের সেই সাহেদের এক বছরের কারাদণ্ড

২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম এ রায় দেন। রবিবার আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ৩ মে আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রোববার সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে সাহেদকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তিনি বলেন, একই ঘটনার বিষয়ে ২০২০ সালের ১৬ জুলাই দায়ের করা আরেকটি মামলার বিষয়ে তারা অবগত থাকলেও চেক ডিজঅনার মামলার বিষয়ে জানতেন না। এ কারণে সাহেদের অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা হয়। পরে এ মামলায় জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আইনজীবীর দাবি, সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৫টি মামলা রয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী কেনার বিপরীতে সাহেদ ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার একটি চেক দেন। ২০২০ সালের ৫ মে চেকটি নগদায়নের জন্য ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেটি ফেরত আসে। পরে একই বছরের ২ জুন চেকের অর্থ পরিশোধের জন্য সাহেদকে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ২৬ জুলাই মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এদিকে, গত ৩০ জুলাই প্রতারণার একটি মামলায় বাদীপক্ষের সঙ্গে আপোষের শর্তে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় ১০ দিনের জামিন পেয়েছিলেন সাহেদ। সূত্র: ইনকিলাব

ভালো লাগলে, প্লিজ শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো কিছু পোস্ট