বাংলাদেশী ছাত্রের খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার হত্যাকাণ্ডের মোটিভ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে পুলিশ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম!
যুক্তরাষ্ট্রের শহরে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ড ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—এটি একটি সম্ভাব্য পরিকল্পিত অপরাধ। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হত্যার নির্দিষ্ট মোটিভ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, নিহত জামিল আহমেদ লিমন ও নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মধ্যে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। তারা ভবিষ্যতে বিবাহের পরিকল্পনাও করেছিলেন বলে জানা গেছে।
এই প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, রুমমেট হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সেখান থেকে মানসিক দ্বন্দ্ব বা হিংসার সৃষ্টি হতে পারে। যদিও এই বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়, তবে তদন্তকারীরা এটিকে একটি সম্ভাব্য মোটিভ হিসেবে বিবেচনায় রেখেছেন। একই বাসায় বসবাসের কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপন, ব্যক্তিগত পরিসর ও পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। দীর্ঘদিনের এমন দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছালে তা সহিংসতায় রূপ নিতে পারে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যার পর মরদেহ স্থানান্তর এবং প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা ঘটনাটিকে তাৎক্ষণিক আবেগের ফল নয় বরং পরবর্তী পরিকল্পিত কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বে ঘরোয়া সহিংসতার অভিযোগ ছিল। এই ধরনের অতীত আচরণ তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তা সহিংস প্রবণতার ধারাবাহিকতা নির্দেশ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, রাগ নিয়ন্ত্রণে অক্ষমতা, মানসিক অস্থিরতা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আগ্রাসী মনোভাব-এসব বিষয় একত্রে গুরুতর অপরাধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। সূত্র: ইনকিলাব
