ইরান যুদ্ধে কতগুলো মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে?
ফেব্রুয়ারির শেষভাগ থেকে শুরু হওয়া ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে মার্কিন বিমান বাহিনী (ইউএসএএফ) বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র আওতায় মাত্র এক মাসে কয়েক ডজন ক্রু-যুক্ত এবং ক্রু-বিহীন (ড্রোন) বিমান হারিয়েছে আমেরিকা, যার আর্থিক মূল্য ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলার ছাড়িয়েছে। ১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মার্কিন বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে ১২,০০০-এর বেশি সফল বিমান হামলা ও নজরদারি পরিচালনা করলেও তাদের নিজেদের বহরে নিচের ক্ষয়ক্ষতিগুলো রেকর্ড করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী চলমান যুদ্ধে আমেরিকা ৩টি এফ-১৫ই, ৮টি কেসি-১৩৫, ২টি ই-৩ডি, (সম্ভাব্য), ১টি এফ-৩৫ বিমান এবং ১৬টি এমকিউ-৯ ড্রোন হারিয়েছে। এরমধ্যে ট্যাঙ্কার এবং এফ-১৫ বিমানগুলো প্রতিস্থাপনযোগ্য; তবে ই-৩ হারানো অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, মার্কিন বিমান বাহিনীর শত শত বিমান চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে বিমান হামলা, নজরদারি এবং সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ইউএস সেন্টকমের তথ্যমতে, ১ এপ্রিল পর্যন্ত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র সমর্থনে ১২,০০০-এরও বেশি যুদ্ধকালীন ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।
যদিও ইরানের ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক- যাতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং যুদ্ধবিমান সক্ষমতার বেশিরভাগই ধ্বংস হয়েছে—মার্কিন বিমান বাহিনীকেও তাদের নিজস্ব বিমান কাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রাণহানিও ঘটেছে। এয়ারফোর্স টেকনোলজি এই যুদ্ধে মার্কিন বিমান বাহিনীর চলমান ক্ষয়ক্ষতিগুলো তালিকাভুক্ত করেছে এবং এই পরিষেবার সামগ্রিক নৌবহরের সক্ষমতার ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিরূপণ করেছে। এই রিপোর্টের উদ্দেশ্যে, যে সকল বিমান যুদ্ধক্ষেত্রে অকেজো হওয়ার পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সূত্র: ইনকিলাব
