রোমাঞ্চকর ড্রয়ে শেষ পর্তুগাল-কলম্বিয়া লড়াই

রোমাঞ্চকর ড্রয়ে শেষ পর্তুগাল-কলম্বিয়া লড়াই

নতুন প্রভাত ডেস্ক
আক্রমণের ঝড় তুলেও জালের দেখা পেল না কলম্বিয়া। পর্তুগালও পারল না কলম্বিয়ার রক্ষণ দেয়াল ভাঙতে। রোমাঞ্চকর ম্যাচে তাই জেতেনি কেউই। রিডায় বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে শেষ হওয়া ‘কে’ গ্রুপের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে ড্রই যথেষ্ঠ ছিল কলম্বিয়ার। শেষ বত্রিশে তাদের প্রতিপক্ষ ‘এল’ গ্রুপে তৃতীয় হওয়া ঘানা। গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। শেষ বত্রিশে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে ‘এল’ গ্রুপের রানার্সআপ ক্রোয়েশিয়াকে।

একই সময়ে অনুষ্ঠিত গ্রুপের অন্য ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারায় ডিআর কঙ্গো। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হওয়া দলটি শেষ বত্রিশে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে ‘এল’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে। একই দিন ‘এল’ গ্রুপে পানামাকে ২-০ গোলে হারায় ইংল্যান্ড, ঘানাকে ২-১ গোলে ক্রোয়েশিয়া।

এটি ছিল কলম্বিয়ার টানা ২৫ বিশ্বকাপ ম্যাচে প্রথম গোলশূন্য ড্র, তবে খেলা ছিল এবারের আসরের অন্যতম সেরা বিনোদনমূলক ম্যাচ। শেষ মুহূর্তে ডাভিনসন সানচেজের হেডে তারা জয় পেয়েছে ভেবেছিল, কিন্তু সহকারী রেফারির সিদ্ধান্তে সামান্য অফসাইড ধরা পড়ায় গোল বাতিল মায়ামি স্টেডিয়ামে পর্তুগালকে গ্রুপের শীর্ষে উঠতে জয় প্রয়োজন ছিল, কিন্তু বিপুল সংখ্যক হলুদ জার্সি পরা সমর্থকদের উল্লাসে উজ্জীবিত কলম্বিয়া শুরু থেকেই ছিল ক্রমণাত্মক। স্ট্রাইকার জন কোরদোবা প্রথম মিনিটেই হেডে বল বার-এর ওপর দিয়ে পাঠান, এরপর ডিয়োগো কস্তার একহাতে অসাধারণ সেভে বঞ্চিত হন।
৪১ বছর বয়সী রোনালদো নেতৃত্ব দিলেও প্রথমার্ধে পর্তুগাল ধীরে ধীরে খেলায় ফেরে। ব্রুনো ফের্নান্দেসের কাছ থেকে নেওয়া শট অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকান কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাস।

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে আগের ম্যাচে দুই গোল করে “আমি ফিরে এসেছি” ঘোষণা দেওয়া রোনালদো আবারও ছিলেন ছায়ামূর্তি, যেমনটা হয়েছিল ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে। দ্বিতীয়ার্ধে কলম্বিয়া আক্রমণের ঢেউ তোলে। রিচার্ড রিওস ও গুস্তাভো পুয়ের্তা কাছাকাছি সুযোগ পান। লুইস সুয়ারেজ খালি পোস্টে ভলি রাখতে পারেননি। আর সানচেজের হেড গোল হলেও তার ডান পায়ের আঙুল সামান্য অফসাইডে ছিল। ১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে গোলশূন্য থাকলেও কলম্বিয়া প্রাপ্যভাবেই গ্রুপের শীর্ষে জায়গা করে নেয়।
কলম্বিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে রেকর্ড ১১তম ম্যাচ খেলতে নামা হামেস ২০১৪ সালের সেরা সময়ের মতোই উজ্জ্বল ছিলেন। তিনি পারফরম্যান্স দিয়েই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বদলি হওয়ার সময় দর্শকরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানায়। সূত্র: ইনকিলাব

ভালো লাগলে, প্লিজ শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো কিছু পোস্ট