গেইলকে ছাড়িয়ে টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক পোলার্ড
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের আসনটি দখলে ছিল ক্রিস গেইলের। ‘ইউনিভার্স বস’ খ্যাত এই ক্যারিবীয় কিংবদন্তিকে পেছনে ফেলে এবার নতুন ইতিহাস গড়লেন কাইরন পোলার্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক এই অলরাউন্ডার। মেজর লিগ ক্রিকেটে ওয়াশিংটন ফ্রিডমের বিপক্ষে এমআই নিউ ইয়র্কের হয়ে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেন পোলার্ড। ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দল হারলেও ব্যক্তিগতভাবে স্মরণীয় এক মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ৫৬ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলে ক্রিস গেইলের ১৪ হাজার ৫৬২ রানের রেকর্ড অতিক্রম করেন পোলার্ড। এই ইনিংসের পর পোলার্ডের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের মোট রান দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫৮২। ফলে গেইল নেমে গেছেন দ্বিতীয় স্থানে। তবে এই রেকর্ড গড়তে গেইলের তুলনায় অনেক বেশি ইনিংস খেলতে হয়েছে পোলার্ডকে। গেইল যেখানে ৪৫৫ ইনিংসে ১৪ হাজারের বেশি রান করেছেন, সেখানে পোলার্ডের লেগেছে ৬৫৩ ইনিংস। তবে সংখ্যার এই পার্থক্যের পেছনে রয়েছে ব্যাটিং পজিশনের বড় ভূমিকা। গেইল ছিলেন ওপেনার ও টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যান। অন্যদিকে পোলার্ড ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় খেলেছেন মিডল অর্ডারে। পাঁচ নম্বরে ২৪৩ ইনিংস ও ছয় নম্বরে ২১৮ ইনিংস খেলেছেন তিনি। ফলে বড় ইনিংস খেলার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম পেয়েছেন। তবুও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে রানের পাহাড় গড়ে তুলেছেন এই হার্ডহিটার। ব্যাটিং পজিশনের প্রভাব পড়েছে শতরানের সংখ্যাতেও। গেইলের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে রয়েছে ২২টি সেঞ্চুরি, যেখানে ৭৩৬ ম্যাচ খেলার পর পোলার্ডের শতরান মাত্র দুটি। সর্বশেষ এই সেঞ্চুরিটিই তাকে ইতিহাসের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। রানের তালিকায় পোলার্ড ও গেইলের পর রয়েছেন ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস। তার সংগ্রহ ১৪ হাজার ৪৪৯ রান। চতুর্থ স্থানে থাকা জস বাটলারের রান ১৪ হাজার ৩৭১। এছাড়া ১৪ হাজার রানের ক্লাবে আছেন অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার (১৪,২৮৩) এবং ভারতের ভিরাট কোহলি (১৪,২১৮)।
এই তালিকার প্রায় সব ব্যাটসম্যানেরই একাধিক সেঞ্চুরি রয়েছে। ব্যতিক্রম পোলার্ড, যার মাত্র দুটি শতক। আরেক মিডল অর্ডার ব্যাটার শোয়েব মালিক ১৩ হাজার ৫৭১ রান করলেও টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন
