বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী  অস্ত্র শান্তি : এলজিআরডি মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে শান্তি। শিল্প-সংস্কৃতিকে শান্তির অন্যতম শক্তিশালী বাহন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, শান্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে লাল সবুজ সাংস্কৃতিক একাডেমির আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ‘এষধসড়ঁৎ ঊীপবষষবহপব অধিৎফ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, তিনি নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ছাত্র এবং পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে পড়াশোনা করেছেন।পারমাণবিক বোমাকে পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও তিনি বিশ্বাস করেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো শান্তি।তিনি বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। ভাষা না বুঝলেও সংগীত, চিত্রকলা, নৃত্যসহ শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যম মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে। তাই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিল্প ও সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন। তিনি শিল্পকলা একাডেমির প্রাঙ্গণে গ্রামবাংলার ভাটিয়ালি, বাউলসহ বিভিন্ন লোকসংগীতের শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের গান শুনতেন। পরে তৎকালীন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়াম ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে আট কোটি টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করার সুযোগ পান বলে জানান ড. আবদুল মঈন খান। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

ভালো লাগলে, প্লিজ শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো কিছু পোস্ট