মা তো নেই, এখন আপনাদেরই উচিত আমাকে দেখে রাখা: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বহু বছর পর আমি এখানে (ফুলগাজী) এসেছি, আজ বেশি বক্তব্য রাখব না। নানার বাড়ির পরিবারে মানুষের সাথে, নিজের পরিবারে মানুষের সাথে, আপন মানুষের সাথে নিজের মনের দুইটা কথা তুলে ধরব। মা তো নেই, এখন আপনাদেরই উচিত আমাকে দেখে রাখা। আমাকে দেখে রাখার দায়িত্ব কার, আপনাদের না? আপনারা কি আমাকে দেখে রাখবেন?’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর উপস্থিত লোকজন সম্মতিসূচক সাড়া দেন। ফেনীর ফুলগাজীতে নিজের নানাবাড়ির এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, সেবায়েত ও পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলের কার্যক্রমের সমালোচনা করেন। এ ছাড়া ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে আরও ১০০ শয্যা বাড়িয়ে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।বিকেল পাঁচটার দিকে প্রধানমন্ত্রী সুবিধাভোগীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড তুলে দেন। একই অনুষ্ঠানে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, সেবায়েত ও পুরোহিতদের হাতে সম্মানী ভাতার অর্থ তুলে দেন তিনি।কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় ফেনী জেলায় মোট ৫ হাজার ৬৪৩ জনকে কার্ড দেওয়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১ হাজার ১২ জন কৃষক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জন কৃষকের হাতে সরাসরি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ, নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার। সূত্র: প্রথম আলো
