নগরীতে মানহানিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার
মিথ্যা অপপ্রচার, মানহানিকর প্রচারণা ও ব্যবসায়িক প্রতিহিংসার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও ব্যবসায়ী মো. মুস্তাকিন হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় একটি পত্রিকার কনফারেন্স রুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে মুস্তাকিনের বিরুদ্ধে ‘মাদকের গডফাদার’, ‘মাদক ব্যবসায়ী’, ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘ভূমিদস্যু’ হিসেবে প্রচারণার অভিযোগ তুলে এসব বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করেন তিনি। লিখিত বক্তব্যে মুস্তাকিন হোসেন বলেন, তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোর অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্সে (ইএমই) প্রায় ১৫ বছর চাকরি করার পর সম্মানের সঙ্গে অবসর গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি মাছ চাষ ও ফিড ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এসব ব্যবসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে বলেও জানান তিনি। তার অভিযোগ, ব্যবসায়িক বিরোধ ও প্রতিহিংসার জেরে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মো. শফিকুল ইসলাম শফির চক্রান্তে মানববন্ধন করা হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর পারিলা বাজারে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের কথা বলে সাধারণ মানুষকে জড়ো করে পরে তার ছবি ব্যবহার করে ব্যানার প্রদর্শন ও মানববন্ধন করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। ওই মানববন্ধনে তাকে ‘মাদকের গডফাদার’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মুস্তাকিন। মুস্তাকিন দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে মাদক, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা ভূমিদস্যুতার অভিযোগে কোনো থানায় মামলা বা অভিযোগ নেই। প্রমাণ ছাড়া তাকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করায় তিনি সামাজিক, ব্যবসায়িক ও পারিবারিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে তার সন্তানদেরও সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, যারা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাদের বক্তব্যের পাশাপাশি অভিযোগের পক্ষে থাকা তথ্য-প্রমাণও যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন বলেন, এ ঘটনায় মুস্তাকিন মামলা করেছেন এবং মামলাটি এজাহারভুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, পারিলা ইউনিয়নের বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় মুস্তাকিনের নামেও মামলা হয়েছে বলে।
