সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের সফর নিরাপদ, রয়েছে বাড়তি সুবিধা : ধর্ম সচিব

স্টাফ রিপোর্টার

হজ ইসলামের পঞ্চবেনার অন্যতম। দীর্ঘ দূরত্ব, বিপুল অর্থ ব্যায়, প্রতিূকূল আবহাওয়া সব মিলিয়ে অত্যন্ত কষ্টকর এক মহতি সফর। আমাদের দেশের অধিকাংশ হজযাত্রী জীবনের শেষ সম্বলটুকু নিয়ে হজের সফরে যান। আর কিছু অসৎ অর্থলোভি মানুষ তাদের অবৈধ উপাযর্জনের পসরা মেলে বসে এই হজকে কেন্দ্র করে। বিশেষ করে ব্যাঙ্গের মছাতার মতো গজিয়ে ওঠা কাফেলাগুলো, যাদের কোন বৈধ লাইসেন্স নেই, তারা সরলমনা হাজীদেরকে ভুলভাল বুঝিয়ে বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। এরা পর্যন্ত বৈধ লাইসেন্সধারী এজেন্সির কাছে এই হাজীদেরকে হস্তান্তর করে। অনেক সময় এজেন্সির সাথে দরদাম বনিবনা না হওয়ায় হাজীদেরকে পাঠাতে ব্যার্থ হয়। এভাবে প্রতি বছর বহু হজযাত্রী প্রতারিত হচ্ছেন, তাঁদের টাকা মার যাচ্ছে। অথচ সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের জন্য রয়েছে অনেক বাড়তি সুবিধা। বিশেষ করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গাইডের তত্ত্ববধানে শুষ্ঠু ও সঠিকভাবে হজ আদায় করার সুবিধা, থাকা, খাওয়া ও যাতায়াতের উচ্চমান সম্পন্ন ব্যবস্থা । এমনকি সরকারি ব্যবস্থপনায় হজ আদায়কারীদেরকে হজ শেষে দেশে ফিরে আসার পরে খরচের পরে বেচে যাওয়া টাকাও ফিরৎ দেয়া হয়।’ গতকাল মঙ্গলবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপি আয়োজিত “সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ” শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উপরোক্ত কথাগুলো বলে ধর্মমন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দীন আল আজাদ।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (হজ) মো. রফিকুল ইসলাম। আরো বক্তব্য দেন হজ অফিসের পরিচালক মো. লুকমান হোসেন এবং রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্প ব্যবস্থাপনা) বেলায়েত হোসেন। কর্মশালায় সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ইসলামিক ফাউনেন্ডশন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক এ কে এম মুজাহিদুল ইসলাম। অভিজ্ঞতা ভিত্তিক আলোনা করেন হজ গাইড হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ড. এ কে এম মুস্তাফিজুর রহমান, মুহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম, ড. ইমতিয়াজ হোসেন, মাও. আব্দুল গণী প্রমুখ। কর্মশালায় অংশ গ্রহন করেন রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিয়ন থেকে আগত বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম, খতীবগণ ও মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের শিক্ষকমন্ডলী এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ আদায়কারী হাজীগণ। কর্মশালায় জানানো হয়, হজ ২০২৭ এ যাত্রা থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত প্যাকেজ ১. ৬,১৫২৬৩ টাকা ২. সাশ্রায়ী প্যাকেজ  ৫,৫৬৪৮ টাকা ৩. কর্মশালায় আল্লাহ ঘরের মেহমানরা যাতে প্রতারণার শিকার না হন সে লক্ষ্যে, আলিম-উলামাদেরকে সরকারি ব্যবস্থপনার বিশেষ দিকগুলো সম্পর্কে সম্ভবাভ্য হজযাত্রীদেরকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়।    

ভালো লাগলে, প্লিজ শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো কিছু পোস্ট