নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে এমরান মিয়া (২৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে আত্রাই রেল স্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে কর্তব্যরত চিকিৎসক। আহত কনস্টেবল এমরান বর্তমানে বাগেরহাটে কর্মরত। তার শ্বশুর বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া গ্রামে। তবে তার গ্রামের বাড়ির ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ। আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল করিম জানান, আহত পুলিশ কনস্টেবল বাগেরহাটে কর্মরত। রাতে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে আত্রাইয়ে শ্বশুর বাড়িতে আসছিলেন তিনি। সকালে ট্রেনটি আত্রাই স্টেশনে পৌঁছালে কিছুটা গতি কমায়। এসময় এমরান মিয়া লাফ দিয়ে নামতে গেলে চাকার নিচে পড়ে যান। এতে তার দুটি পা হাঁটু হতে কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের মাধ্যমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাজশাহী জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, সোমবার সকালে আহত পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে তাকে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান তার পরিবারের সদস্যরা। তাই তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। দুপুর পৌনে ২টার দিকে তারা রোগীকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

নওগাঁয় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন কনস্টেবলকে পাঠালেন ঢাকায়

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ 

নওগাঁর আত্রাইয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে এমরান মিয়া (২৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে আত্রাই রেল স্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে কর্তব্যরত চিকিৎসক। 

আহত কনস্টেবল এমরান বর্তমানে বাগেরহাটে কর্মরত। তার শ্বশুর বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া গ্রামে। তবে তার গ্রামের বাড়ির ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।

আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল করিম জানান, আহত পুলিশ কনস্টেবল বাগেরহাটে কর্মরত। রাতে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে আত্রাইয়ে শ্বশুর বাড়িতে আসছিলেন তিনি। সকালে ট্রেনটি আত্রাই স্টেশনে পৌঁছালে কিছুটা গতি কমায়। এসময় এমরান মিয়া লাফ দিয়ে নামতে গেলে চাকার নিচে পড়ে যান। এতে তার দুটি পা হাঁটু হতে কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের মাধ্যমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

রাজশাহী জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, সোমবার সকালে আহত পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে তাকে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান তার পরিবারের সদস্যরা। তাই তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। দুপুর পৌনে ২টার দিকে তারা রোগীকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *