রাজশাহী রেশম কারখানায় আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়ে শ্রমিক নেতারা। এছাড়াও বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তারা। গতকাল রোববার দুপুর ১টায় নগরীর সুলতানাবাদে অবস্থিত রাজশাহী রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের একটি কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দল। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন তাসেন। তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে রেশম খাতে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জিত হয়। এক সময় রেশম বোর্ডে মোট ৫৮৩ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে ৫৮৩ জন শ্রমিকের মধ্যে ৩২৭ জনকে বাদ দেওয়া হয় এবং বর্তমানে মাত্র ২৫৬ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় ছাঁটাই করা ৩২৭ জন শ্রমিককে কাজে পুনর্বহালের অনুমতি দিয়েছে। তবুও রেশম বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন-ভাতা প্রদান করছে না। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আগামী ৩১ মার্চের পর আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে টেন্ডারের মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যা শ্রমিকদের জন্য আত্মঘাতী। । এতে অনেক অভিজ্ঞ শ্রমিক চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। তাদের অনেকেই ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে রেশম চাষ ও সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ। ঠিকাদারের অধীনে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ দেওয়া হলে তারা স্থায়ী শ্রমিকের তালিকা থেকে চিরতরে বাদ পড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাতিল ও ৫৮৩ জন শ্রমিককে রাজস্ব খাতভুক্ত করা এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ নিয়মিত বেতন প্রদানের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দলের সভাপতি শাহ আলম লুটু, সাংগঠনিক সম্পাদক দীপক কুমার, মীরগঞ্জ বীজাগারের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) নাছিমা খাতুনকে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। বোর্ডের অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ড. এমএ মান্নানের মুঠোফোন নাম্বারও বন্ধ পাওয়া যায়।

রেশম কারখানায় আউটসোর্সিংপদ্ধতিতে নিয়োগ বাতিলের দাবি

রাজশাহী রেশম কারখানায় আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়ে শ্রমিক নেতারা। এছাড়াও বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তারা। গতকাল রোববার দুপুর ১টায় নগরীর সুলতানাবাদে অবস্থিত রাজশাহী রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের একটি কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন  জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন তাসেন। তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে রেশম খাতে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জিত হয়। এক সময় রেশম বোর্ডে মোট ৫৮৩ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে ৫৮৩ জন শ্রমিকের মধ্যে ৩২৭ জনকে বাদ দেওয়া হয় এবং বর্তমানে মাত্র ২৫৬ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় ছাঁটাই করা ৩২৭ জন শ্রমিককে কাজে পুনর্বহালের অনুমতি দিয়েছে। তবুও রেশম বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন-ভাতা প্রদান করছে না। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আগামী ৩১ মার্চের পর আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে টেন্ডারের মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যা শ্রমিকদের জন্য আত্মঘাতী। । এতে অনেক অভিজ্ঞ শ্রমিক চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন।

তাদের অনেকেই ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে রেশম চাষ ও সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ। ঠিকাদারের অধীনে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ দেওয়া হলে তারা স্থায়ী শ্রমিকের তালিকা থেকে চিরতরে বাদ পড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাতিল ও ৫৮৩ জন শ্রমিককে রাজস্ব খাতভুক্ত করা এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ নিয়মিত বেতন প্রদানের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দলের সভাপতি শাহ আলম লুটু, সাংগঠনিক সম্পাদক দীপক কুমার, মীরগঞ্জ বীজাগারের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) নাছিমা খাতুনকে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। বোর্ডের অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ড. এমএ মান্নানের মুঠোফোন নাম্বারও বন্ধ পাওয়া যায়।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *