বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন: জেসিন্ডা থিতু হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়, বাড়ি খুঁজছেন সিডনিতে

হয়।জেসিন্ডা আরডার্ন: বিশ্ব কি তাঁকে ভুলে যাবে পরবর্তী ছয় বছরে ক্রাইস্টচার্চ হামলা ও করোনা মহামারির মতো বৈশ্বিক ও জাতীয় সংকট মোকাবিলায় তাঁর নেতৃত্ব বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত তবে মেয়াদের শেষ দিকে নিজ দেশে তাঁর জনপ্রিয়তা কিছুটা ম্লান হতে শুরু করে। হয় এবং সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর জীবন ও নেতৃত্বের ওপর নির্মিত নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন এখন সপরিবার অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। ২০২৫ সালে তাঁর স্মৃতিকথা প্রকাশিত সিডনিতে জেসিন্ডা বাড়ি খুঁজছেন—অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যমে এমন খবর চাউর হওয়ার পরই বিষয়টি সামনে এল।জেসিন্ডার কার্যালয় থেকে দ্য গার্ডিয়ানকে জানানো হয়েছে, কয়েক বছর ধরেই এই পরিবার ভ্রমণের ওপর রয়েছে। হওয়ায় তাঁকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।পরিবার না রাজনীতি, কোন কারণে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জেসিন্ডা আরডার্নএ ছাড়া মহামারি চলাকালীন টিকাবিরোধী আন্দোলনের উগ্র রূপ এবং পার্লামেন্ট চত্বরে সহিংস প্রতিবাদের ঘটনাও তাঁর সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেখানে তাঁদের কাজ রয়েছে, পাশাপাশি এর মাধ্যমে নিজেদের দেশ নিউজিল্যান্ডে বাড়তি সময় কাটানোর সুযোগও পাবেন।গতকাল বৃহস্পতিবার জেসিন্ডা, তাঁর স্বামী ক্লার্ক গেফোর্ড এবং সাত দীর্ঘ গুঞ্জনের পর তাঁর এক মুখপাত্র এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত আপাতত ক্ষমতায় থাকাকালীন মা হওয়ার বিরল কীর্তিও গড়েন তিনি। করেছেন। প্রতীক’২০১৭ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন জেসিন্ডা আরডার্ন। বছর বয়সী মেয়ে নেভকে সিডনির নর্দান বিচে বাড়ি খুঁজতে দেখা গেছে—এমন খবরের পর থেকেই তাঁর দেশান্তরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়।নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমানোর বিষয়টি নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের মনে কিছুটা হলেও আঁচড় কাটতে পারে। আবাসনসংকট সমাধান এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ তারা অস্ট্রেলিয়াকেই নিজেদের ঠিকানা হিসেবে বেছে নিয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সামর্থ্য ফুরিয়ে এসেছে উল্লেখ করে আকস্মিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর জেসিন্ডা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেলোশিপ করেন। কারণ, বর্তমানে দুর্বল অর্থনীতি, জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং বেকারত্বের কারণে রেকর্ডসংখ্যক নিউজিল্যান্ডার দেশ ছাড়ছেন।জেসিন্ডা আরডার্ন: প্রগতিশীল রাজনীতির বৈশ্বিক ‘মূর্ত হয়।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *