বিএনপি নেতা মান্নান ভূঁইয়া চলে গেলেন | :::…NatunProvat:::.. natunprovat, notunprovat,Natun provat, Notun Provat, News from Rajshahi, News Rajshahi, Rajshahi, Seroil, news, Rajshahi, North Bengal, Dhaka, Rajshahi College, Shaheb Bazar, News from Bangladesh, Daily Bangla Newspaper, Bangla Newspaper

বিএনপি নেতা মান্নান ভূঁইয়া চলে গেলেন

বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ছাত্র আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া আর নেই। সবাইকে কাঁদিয়ে নরসিংদীর শিবপুরে নিজ বাড়ির লিচু তলায় গতকাল সন্ধ্যায় চিরনিদ্রায় শায়িত হন তিনি। প্রিয় নেতার দাফন ও নামাজে জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে । জটিল রোগের সঙ্গে বেশ কিছুদিন লড়াই করে অবশেষে মঙ্গলবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ডাক্তারদের সব চেষ্টা বিফলে দিয়ে বয়সন্ধিকালে ৬৭ বছর বয়সে প্রবীণ এই নেতা চলে গেলেন পরপারে। বিএনপি’র এই সাবেক নেতার মৃত্যুতে হাসপাতালে নেমে আসে শোকাবহ পরিবেশ। রাতেই হাসপাতালে একে একে আসতে থাকেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী সহযোদ্ধা আর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। রাতে মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালেই রাখার পর বুধবার সকালে নিয়ে যাওয়া হয় তার গুলশানের বাসায়। এনএনবি
সেখান থেকে সকালে সংসদ ভবনে নেয়া হয় জানাজার জন্য। বেলা সোয়া ১১টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই রাজনীতিবিদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। যোহরের নামাজের পর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বায়তুল মোকাররম মসজিদে। এরপর মান্নান ভূঁইয়ার মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে তৃতীয় এবং চতুর্থ জানাজা শেষে নিজ বাড়ির লিচু তলায় তাকে দাফন করা হয়। বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মঙ্গলবার গভীর রাতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ছুটে আসেন তার সহকর্মী রাজনীতিক, শুভাকাংখি ও সমর্থকরা। তার নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মীরাও স্কয়ার হাসপাতালে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসময় জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও তার স্ত্রী, সিপিবির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হায়দার আকবর খান রনোসহ অনেকেই আসেন স্কয়ার হাসপাতালে।  মান্নান ভূঁইয়ার অন্তিম মুহূর্তে হাসপাতালে তার ছোট ছেলে, পুত্রবধূ ও নিকট আত্মীয়দের পাশে ছিলেন ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা। মান্নান ভূঁইয়ার মরদেহ রাত ১টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল সকাল সাড়ে ছয়টায় স্কয়ার হাসপাতাল থেকে লাশ মরহুমের গুলশানের বাসায় নেয়া হয়। এসময় মান্নান ভূঁইয়ার লাশ জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত ছিল। বাসায় নেয়ার পর এক মর্মস্পর্শী দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। আত্মীয়-স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মুসল্লিরা কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া দরুদ পাঠ করেন। মান্নান ভূঁইয়ার রাজনৈতিক জীবনের সহচররা তার বাসায় ভিড় করেন। বাসার নিচতলায় শোকবই খোলা হয়েছে। শোক বইয়ে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতা, তার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং বিশিষ্টজনরা  স্বাক্ষর করেন। বেলা সোয়া ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে মান্নান ভূঁইয়ার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সরকার দলীয় চিফ হুইপ উপাধ্যাক্ষ আব্দুস শহীদ। এসময় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। জানাজা পরিচালনা করেন সংসদ মসজিদের  ইমাম মাওলানা আ ন ম ইব্রাহিম। জানাজায় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও এমকে আনোয়ার, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাসদ নেতা আ স ম আব্দুর রব, সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন মুফতি মফিদউল্ল্যাহ্। দ্বিতীয় জানাজায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিএনপি’র মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দীন কাদের চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল-নোমান, জেড এ খানসহ দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং সিপিবি’র মঞ্জুরুল আহসান খান অংশ নেন। মান্নান ভূঁইয়ার তৃতীয় এবং (চতুর্থ) শেষ জানাযা অনুষ্ঠিত হয় তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরের ধানুয়ায় তারই প্রতিষ্ঠিত শহীদ আসাদ কলেজ মাঠে। গতকাল বিকেলে সেখানে প্রিয় নেতার দাফন ও নামাজে জানাজায় অংশ নিতে লাখো মানুষের ঢল নামে । লোকে লোকারণ্য কলেজ মাঠে স্থান সংকুলান না হওয়ায় দুই-দফা জানাজা পড়ানো হয়। আশে পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়েও অনেকে জানাজা আদায় করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজু, সাবেক বিএনপি সাংসদ এম মোরশেদ খান, স্থানীয় সংসদ সদস্য জহিরুল হক মোহন, ঢাকা সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, বিএনপি নেতা জেড এ খান, সানাউল্লাহ মিয়া, খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী পৌরসভার চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, নরসিংদী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুর চৌধুরীসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা এ জানাজায় অংশ নেন। ঢাকায় দ’ুদফা নামাজে জানাজা শেষে গতকাল দুপুরের পর নরসিংদীতে নিয়ে আসা হয় বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার মরদেহ। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে তার মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি শিবপুর উপজেলার মাছিমপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামে অবস্থিত পৈত্রিক বাড়িতে পৌঁছায়। এরপর ধানুয়া গ্রামের নিজ বাড়ির লিচু তলায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় এই মুক্তিযোদ্ধাকে। সহকারি পুলিশ সুপার আসাদউদ্দিন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার দেয়। এ সময় বিউগলে করুন সুর বেজে ওঠে। নরসিংদীর জেলা প্রশাসক অমৃত বাড়ৈসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য গত ৩১ মে মান্নান ভূঁইয়া সিঙ্গাপুর যান। সেখানে তিনি সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য তার দেহে মোট আটটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। সর্বশেষ কেমোথেরাপি দেওয়ার পর থেকে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে না পারছিলেন না তিনি। এরপর তাকে কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেন দেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির চিকিৎসকদের পরামর্শে মান্নান ভূঁঁইয়াকে দেশে এনে গত ৭ জুলাই স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছিলো তাকে। কৃত্রিম উপায়ে তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছিলো। সোমবার রাত থেকে তার অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে।
একজন মান্নান ভূঁইয়া
বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ১৯৪৩ সালের ৩ জানুয়ারি নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার মাছিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৮ সালে মাধ্যমিক ও ১৯৬১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে বিএ অনার্স এবং ১৯৬৫ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি এলএলবি ডিগ্রিও লাভ করেন। আবদুল মান্নান ভূঁইয়া কলেজ জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন গঠনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি। ১৯৬২ সালে আইয়ুব বিরোধী শিক্ষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং এ কারণে তাকে কারাবরণ করতে হয়। তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন এবং ১৯৬৪ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৯৬৬ সালে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)’র সদস্য নির্বাচিত হন। ছাত্র জীবন শেষ করার পর মান্নান ভূঁইয়া ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে (ন্যাপ-ভাসানী) যোগ দেন। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে কৃষক আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। মাঝে কিছু দিন তিনি মনোহরদী কলেজ ও শিবপুর শহীদ আসাদ কলেজে শিক্ষকতা করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মান্নান ভূঁইয়া নরসিংদীর শিবপুরে অবস্থান করেন এবং নরসিংদী, পলাশ, শিবপুর, মনোহরদী, বেলাবো, রায়পুরা অঞ্চলে বহু লোককে ট্রেনিং দিয়ে প্রতিরোধ শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মান্নান ভূঁইয়া এ এলাকায় পাক-হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান ভূঁইয়া কৃষক সমিতির অন্যতম সংগঠক নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে ইউনাইটেড পিপলস পার্টি (ইউপিপি) গঠনে মান্নান ভূঁইয়া অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং প্রথমে ইউপিপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮০ সালে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন। ১৯৮২ সালে বিএনপি সরকারকে মতাচ্যুত করে এরশাদ মতা দখল করার পর থেকে মান্নান ভূঁইয়া সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি স্বৈরাচারি এরশাদ সরকারের পতন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্র“য়ারি সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-৩ নির্বাচনী এলাকা থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। তিনি ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়লাভ করেন। মান্নান ভূঁইয়া ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। একই বছর ১৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর পুনরায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং স্থানীয় সরকার, পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। মান্নান ভূঁইয়া ১৯৯৬ সালের ২৬ জুন বিএনপির মহাসচিব নিযুক্ত হন এবং ২০০৭ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর এই পদে ছিলেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মান্নান ভূঁইয়াকে বিএনপির মহাসচিব ও দল থেকে বহিস্কার করা হয়। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বত্যন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হন তিনি। ২০১০ সালের ৩১ মে ফুসফুসে ক্যান্সার আক্রান্ত মান্নান ভূঁইয়া চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান। এর পর আর সুস্থ্য জীবনে ফিরেননি দেশের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত মান্নান ভূঁইয়াকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এয়ার এম্বুলেন্স বিমানে করে সিঙ্গাপুরে থেকে গত ৭ জুলাই ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। একইদিন তাকে ভর্তি করা হয় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে। ভর্তির ২০ দিন পর মঙ্গলবার রাত ১২ টার পর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মান্নান ভূঁইয়া। তার স্ত্রী অধ্যাপক মরিয়ম বেগম ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ। মান্নান ভূঁইয়ার দুই পুত্র হচ্ছেন ভূঁইয়া অনিন্দ মোহায়মেন ও ভূঁইয়া নন্দিত নাহিয়ান।

Posted by admin on জুলাই ২৯-এ, ২০১০ and filed under শীর্ষ সংবাদ. You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0. You can leave a response by filling following comment form or trackback to this entry from your site

Leave a Reply